Monday , January 18 2021
Breaking News

তিনবছর আগে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্ত থেকে পদ্মাসেতুর স্প্যান যুক্ত হওয়া শুরু হয়েছিল, তা এখন শেষ পর্যায়ে। প্রায় সাড়ে ৫ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে পদ্মা সেতুর স্প্যান কাঠামো পৌঁছে গেল মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে। সেতুর ৩৮তম স্প্যান ২১ নভেম্বর দুপুরে যোগ হয়েছে।

তিনবছর আগে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্ত থেকে পদ্মাসেতুর স্প্যান যুক্ত হওয়া শুরু হয়েছিল, তা এখন শেষ পর্যায়ে। প্রায় সাড়ে ৫ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে পদ্মা সেতুর স্প্যান কাঠামো পৌঁছে গেল মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে। সেতুর ৩৮তম স্প্যান ২১ নভেম্বর দুপুরে যোগ হয়েছে।

এদিন দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে পদ্মাসেতুর ১ ও ২ নং পিয়ারে ৩৮তম স্প্যান স্প্যান ‘ওয়ান-এ’, বসানো হয়েছে। এতে দৃশ্যমান হতে চলেছে সেতুর ৫ হাজার ৭ মিটার অংশ। পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী (মূল সেতু) দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের সারাবাংলাকে এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, স্প্যানটি ১৬ নভেম্বর বসানোর পূর্ব সিডিউল ছিল। তবে নির্ধারিত পিয়ার দুটির একটি ডাঙায় অপরটি নদীতে থাকায় ড্রেজিং করে পিয়ার দুটির মাঝের স্থানটি স্প্যানবাহী ভাসমান ক্রেন চলাচলের উপযোগী করতে হয়। এরপর কারিগরি অন্যান্য বিষয় প্রস্তুত করতে আরও কয়েকদিন সময় লেগে যায়।

শনিবার (২১ নভেম্বর) সকাল ৯টায় কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ভাসমান ক্রেন তিয়াইন-ই ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৩৭তম স্প্যানটি নিয়ে নির্ধারিত পিয়ারে উদ্দেশে রওনা দেয়। পরবর্তী প্রক্রিয়া শেষে বেলা ২টা ৩৫ মিনিটে স্প্যানটি বসানো সম্পন্ন হয়।

আর বাকি রইল তিনটি স্প্যান। বর্তমান মাসেই ১০ ও ১১ নং পিয়ারে ৩৯তম স্প্যান ‘২-ডি’ বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। আর ডিসেম্বর মাসে ১১ ও ১২ নং পিয়ারে ৪০তম স্প্যান ‘২-ই’ ও ১২ ও ১৩ নম্বর পিয়ারে ৪১তম স্প্যান স্প্যান ‘২-এফ’ বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটিতে প্রথম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু। এরপর একে একে বসানো হলো ৩৮টি স্প্যান।

মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। দুই পাড়ে সংযোগ সড়কের সঙ্গে যুক্ত হওয়া অংশ মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৯ কিলোমিটার লম্বা পদ্মাসেতু। ১৫ ডিসেম্বরের দিকে পদ্মা সেতুর সর্বশেষ স্প্যানটি বসিয়ে দেওয়া হবে।

এরপর পদ্মা সেতুর কাজ বাকি থাকবে শুধু সড়কপথ আর তার নিচে রেলপথ টানা। যা এরই মধ্যে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্ত থেকে শুরু হয়ে প্রায় দুই কিলোমিটার পাড়ি দিয়েছে।

২০২১ সালের ডিসেম্বরে খুলবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বড় কোনো নির্মাণ অবকাঠামো এবং সমসাময়িক বিশ্বের সবচেয়ে বড় সেতু এটি। পদ্মাসেতু চালু হলে প্রমত্তা নদীর ওপর গাড়ি চলতে দেখা যাবে।

সৌজন্যে: Sarabangla

About marianews24

Check Also

খাগড়াছড়ি জেলায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষাসেবা বিভাগের ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর এর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, রাঙামাটি, কক্সবাজার, নারায়ণগঞ্জ ও চাঁদপুর এ ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম এর শুভ উদ্ভোদন ঘোষণা করেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা আসাদুজ্জামান খান কামাল,এম.পি।

খাগড়াছড়ি জেলায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষাসেবা বিভাগের ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর এর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস খাগড়াছড়ি, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *